Select Page

২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্ত্বর ঘেরাওয়ের দীর্ঘদিন পর আবারো বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচনায় এসেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। গত মাসে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে দেশব্যাপি জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন শুরু করে হেফাজত। যার নেতৃত্বে ছিলেন দলটির যুগ্মমহাসচিব মামুনুল হক। গ্রেফতার

পরে গত ২৬ মার্চ রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা হিসেবে আরও ২ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করে গত ৫ এপ্রিল পল্টন থানায় মামলা করা হয়।

এরপর থেকেই সহিংসতাকারী হেফাজতের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ৭ এপ্রিল সকালে নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় শিশুবক্তাখ্যাত রফিকুল ইসলাম মাদানীকে। পরে রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেখিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয় র‌্যাব।

আরো পড়ুন– রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে এশিয়ার অধিকাংশ হাসপাতাল

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আহমেদ শফিকে হত্যার প্ররোচনা মামলায় সংগঠনটির আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

=দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডবের প্রতিবাদ ও হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ১৩ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে হেফাজত থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন দলের নায়েবে আমির ও বাংলাদেশ ফরায়েজী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান।

১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীকে তার লালবাগের নিজ বাসার সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন