Select Page

শাহনাজ অচেতন অবস্থায় ট্রলিতে শোয়া। জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছেন, বুক ওঠানামা করছে তাঁর। সঙ্গে থাকা স্বজন জানালেন, তাঁরা টঙ্গী থেকে এসেছেন। শাহনাজ অচেতন হয়ে পড়েছিলেন, তাই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। শাহনাজকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। আইসিইউ 

করোনা সংক্রমণের প্রকোপ আবার বাড়তে থাকায় হাসপাতালে প্রতিনিয়ত আক্রান্ত রোগী আসছেন। আজ সোমবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শাহনাজের মতো ভর্তির অপেক্ষায় দেখা গেল জালাল উদ্দিনকে। করোনা ইউনিটের বারান্দায় বেঞ্চে বসে ছিলেন। অক্সিমিটার দিয়ে অক্সিজেনের মাত্রাও মাপা হলো। তাঁর স্ত্রী রহিমা বেগম জানালেন, জালাল উদ্দিনের বয়স ৭০–এর ওপর। তাঁদের বাড়ি রাজধানীর আটিবাজারে। বেশ কিছুদিন ধরে জ্বর, কাশিতে ভুগছিলেন। করোনা পরীক্ষা করতে দিয়েছেন। তবে শ্বাসকষ্ট থাকায় আজই ভর্তি হবেন।

আরো পড়ুন–গ্রেফতার হলেন হেফাজতের যেসব শীর্ষ নেতা

করোনা ইউনিটের বারান্দায় কথা হয় মো. মোস্তাফিজের সঙ্গে। তাঁর এক চাচা চার দিন ধরে আইসিইউতে ভর্তি। তিনি বলেন, ‘অন্তত পাঁচটা হাসপাতালে ফোন দিয়ে এখানে আইসিইউ পাইছি। একটা আইসিইউ খালি পাওয়া সোনার হরিণের মতো। যার রোগী আইসিইউতি যায়, সে–ই বোঝে করোনা কী রকম ভয়ংকর।’

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের আইসোলেশন ওয়ার্ড–লাগোয়া বারান্দায় একটি শয্যায় শুয়ে আছেন শহীদুল ইসলাম (৬৩)। বেশ অসুস্থ তিনি। রামপুরা থেকে এসে ১১ এপ্রিল ভর্তি হয়েছেন। তাঁর জামাতা রুহুল আমিন প্রথম আলোকে বলেন, শহীদুল ইসলামের করোনা নেগেটিভ এসেছে। তবে ফুসফুসে ৬০ ভাগ আক্রান্ত। সব সময় অক্সিজেন দিয়ে রাখতে হচ্ছে। ওয়ার্ডের ভেতর খালি থাকলেও তাঁকে সেখানে না নেওয়ার কারণ হিসেবে রুহুল আমিন বলেন, ‘অনেক আক্রান্ত রোগী। আর উনার তো পজিটিভ রিপোর্ট আসেনি। তাই সেখানে ভয়ে নিচ্ছি না।’

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন