Select Page

যুক্তরাজ্যে উদ্ভাবিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল। গত শুক্রবার তিনি এ টিকা নেন। এর আগে জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ারও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিড-১৯-এর টিকা নিয়েছেন।

জার্মান চ্যান্সেলরের মুখপাত্র স্টিফেন সাইবার্ট টুইটারে ম্যার্কেলের টিকা নেওয়ার খবর জানান। তবে অন্য রাজনীতিকদের মতো তাঁর টিকা গ্রহণের ছবি দেওয়া হয়নি। টিকা নেওয়ার পর বিবৃতিতে ৬৬ বছর বয়সী  ম্যার্কেল বলেন, ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে আমি খুশি। এ টিকা দেওয়ার কাজে যারা আছে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। এই অতিমারি থেকে রক্ষায় টিকাদানই মূল উপায়।’

এই টিকাদানের মধ্যে ইউরোপজুড়ে করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ চলছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে পুরো মহাদেশ। প্রায় ৫০টি দেশের এই আতঙ্কজনিত অবস্থার কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় আঞ্চলিক অফিস।

আরোপড়ুন– পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে এবার দূষিত পানি

ইউরোপে করোনা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতির কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অবস্থিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক হান্স ক্লুগ। এই বিষয়ে জার্মানির চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী আর্যটেব্লাট হান্স ক্লুগের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রমণে ইউরোপে ১০ লাখের বেশি লোকের মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ইউরোপ মহাদেশে করোনা মহামারির তৃতীয় ঢেউ ক্রমশই আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। এই মুহূর্তে প্রতি সপ্তাহে ১৬ লাখ মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন। সংক্রমণের হার প্রতি ঘণ্টায় ৯ হাজার ৫০০ জন আর মিনিটে ১৬০ জন। তবে করোনাপ্রতিরোধী টিকার কারণে এই অঞ্চলের প্রবীণ মানুষদের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কয়েকটি দেশে হ্রাস পেয়েছে বলে তিনি জানান।

ইউরোপে করোনাপ্রতিরোধী টিকা নিয়ে নানা সংশয় ও বিলম্বিত সিদ্ধান্তের কারণে আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রায় ৭৫ কোটি মানুষ-অধ্যুষিত মহাদেশের ৭৫ শতাংশ মানুষের মধ্যে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। ইউরোপে এই মুহূর্তে প্রায় ৪৫ কোটি মানুষের জন্য টিকা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।

জার্মানির টিকা কমিশনের পরিচালক টমাস মের্টেন্স রাইনিসে পোস্ট পত্রিকাটিকে জানিয়েছেন, করোনাপ্রতিরোধী টিকার স্বল্পতার কারণে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা বেশি করে সংক্রমিত হচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ইউরোপে তৃতীয় ঢেউ ঠেকাতে অনেক আগে থেকে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু করা উচিত ছিল।

বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন